মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১০

সফটওয়্যারের পুরাতন সংস্করণের খোঁজে

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকারের সফটওয়্যার ব্যবহার করছি। কিছু দিন পরপরই এসকল সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ আসে তখন আমরা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে অথবা সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ কিনে পুরাতনকে ফেলে ব্যবহার করি। নতুন সফটওয়্যার সকল ক্ষেত্রে পুরাতনের তুলনায় ভাল, নিরাপদ বা সুবিধাজনক নাও হতে পারে। আবার নতুন সংস্করণ সকল (পুরাতন) কম্পিউটারে সমর্থন করে না। সেক্ষেত্রে পুরাতন সংস্করণে প্রয়োজন পরে কিন্তু অনেক সময় কোথাও খুঁজে পূর্বের সেই সংস্করণ পাওয়া যায় না। এমনকি উক্ত সফটওয়্যারের ওয়েবসাইটেও পুরাতন সংস্করণ সংরক্ষণ করা থাকে না বা ডাউনলোডের কোন ব্যবস্থা থাকে না। কিন্তু তাই বলেতো বসে থাকলে চলবে না। এর সমাধান পাবেন ওল্ডভার্সনের ওয়েবসাইটে। ১৫২ প্রকারের অধিক সফটওয়্যারের ১৯১০ -এর বেশী সংস্করণ সংরক্ষিত আছে http://oldversion.com সাইটে। এতগুলো সফটওয়্যারের মাঝে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সফটওয়্যারের পুরাতন সংস্করণগুলো এখানে আছে যা আপনি ক্যাটাগরি অনুসারে বা সার্চ করে খুঁজে বের করে বিনাখরচে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।

অনলাইন থেকে সরাসরি পিডিএফ তৈরী করা

বর্তমানে পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরমেট) বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফন্ট ঝামেলা এবং ডকুমেন্টের ফরমেট অক্ষুন্ন রাখতে পিডিএফ এর প্রয়োজন হয় বেশী। কিন্তু পিডিএফ তৈরীর সফটওয়্যার আপনার কাছে না থাকেলেও অনলাইনে সরাসরি পিডিএফ তৈরী করা যায়। এতে মাইক্রোসফট অফিস, ইমেজ, ওয়েব পেজ, হেল্প ফাইল, ভিজিএফ ফাইলকে পিডিএফ তৈরী করা এবং পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট অফিসে রুপান্তর করা যায়। এজন্য www.freepdfconvert.com সাইটে যান এবার Source file অংশে Convert from এর File অপশন বাটনে সিলেক্ট থাকা অবস্থায় Browse বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটারের ফাইল (অনলাইনের ফাইল হলে Convert from এর URL অপশন বাটনে সিলেক্ট করে ফাইলের ঠিকানা দিতে হবে) দেখিয়ে দিন এবার E-mail address অংশে আপনার ইমেইলের ঠিকানা লিখে Attach files to e-mail চেক বক্স চেক করে Convert বাটনে ক্লিক করুন তাহলে আপনার ফাইল আপলোড হবে এবং পিডিএফ ফাইলকে জিপ হিসাবে আপনার ইমেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

বিনামূল্যে পিকাসা ওয়েব এ্যালবাম

বিনামূল্যে অনলাইনে ফটো এ্যালবাম তৈরীর সুযোগ দিচ্ছে অনেক সেবামূলক সাইটই কিন্তু গুগল তাদের গ্রাহকদের জন্য একটু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে পিকাসা ওয়েব এ্যালবামের সাহায্যে। এই ওয়েব ফটো এ্যালবামে ১ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট) পর্যন্ত ফটো আপলোড করা যাবে। অনলাইন থেকে সরাসরি ফটো আপলোড করতে হলে একটি একটি করে ব্রাউজ করে আপলোড করতে হয় সেটা সময় সাপেক্ষ এবং আপলোডেও ধীর গতিতে হয় কিন্তু পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজে একটি ফোল্ডারের কয়েকশত (সর্বচ্চো ৫০০) ফটো সহজে এবং অল্প সময়ে আপলোড করা যায়। এছাড়াও নোটিফেকেশনের (আর.এস.এস) মাধ্যমে অন্যের এ্যালবামে নতুন ফটো আপলোড করার খবর পাবেন। আরো সুবিধা হচ্ছে আপলোড করা ফটো এ্যালবাম থেকে যেকোন এ্যালবাম এমবেট করে বা পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে মাইস্পেস বা ব্লগারে ফটো আপলোড করতে পারবেন। এখানে ইচ্ছামত ফটো সাজানো যায় এবং এ্যালবামের ফোল্ডার শেয়ার বা ব্যাক্তিগতভাবে রাখতে পারবেন। মোট কথা নিজের ছবিগুলোর নিরাপদ সংরক্ষণের যায়গা পিকাসা। http://picasa.google.com ওয়েবসাইট থেকে লগইন করে ফটো এ্যালবাম সক্রিয় করুন এবং পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। প্রথমত পিকাসা কম্পিউটারের থাকা সমস্ত ফটো কয়েক সেকেন্ডর মধ্যে গুছিয়ে দেবে। এবার পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে লগইন করে ছবি ওয়েব এ্যালবামে বা ব্লগে পোষ্ট করুন।

কম্পিউটারে দেখুন ওয়াপ সাইট

ওয়্যারলেস এ্যাপলিকেশন প্রটোকল বা ওয়াপ হচ্ছে মোবাইল বা তারহীন ডিভাইনের জন্য তৈরীকৃত বিশেষ সাইট। সাধারণত ওয়াপ সাইটগুলো কম্পিউটারের ওয়েব ব্রাউজারে দেখা যায় না। কিন্তু ওয়াপ প্রুফ সফটওয়্যারের (ওয়াপ ব্রাউজার) সাহায্যে সহজেই যে কোন ওয়াপ সাইটকে দেখা যায়। www.wap-proof.com ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি (ডেমো) ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে চালু করুন। ওয়াপ প্রুফ সফটওয়্যারটি চালু করলে নকিয়া ৬৬০০ মডেলের (মোবাইলের মডেল পরিবর্তন করা যাবে) একটি মোবাইল উইন্ডো আসবে। এবার এড্রেসে ওয়াপ এড্রেস লিখে গো বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মোবাইল উইন্ডোতে ওয়াপ সাইট দেখা যাবে এবং সোর্স উইন্ডোতে সাইটলের প্রোগ্রামিং কোড দেখা যাবে। এই ব্রাউজারে স্বাভাইবক ব্রাউজারের মতো ওয়াপ সাইট বুকমার্ক করে রাখা যাবে। মোবাইল উইন্ডোর ওয়াপ সাইট শুধুমাত্র কীবোর্ড ব্যবহার করা যাবে মাউস ব্যবহার করা যাবে না।

ফন্টের ঝামেলা ছাড়ায় বাংলা ওয়েবসাইট দেখা

ধীরে ধীরে বাংলা ওয়েবসাইট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর বাংলাতে ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়ছে ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েবসাইট তৈরীর। বর্তমানে বাংলায় তৈরী বেশীরভাগ ওয়েবসাইটই ইউনিকোড ভিত্তিক। এধরণের ওয়েবসাইট দেখতে কম্পিউটারে এন্তত একটি ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ফন্ট ইনষ্টল থাকা প্রয়োজন। আপনি যে কম্পিউটারে ব্রাউজ করছেন সেই কম্পিউটারে যদি বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ফন্ট ইনষ্টল করা না থাকে তাহলে বাংলা লেখা বক্স হিসাবে দেখা যায়। এর সমাধানে আপনার কম্পিউটারে ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ফন্টের প্রয়োজন হয়। যদিও বেশীরভাগ ওয়েবসাইটে ফন্টের লিংক এবং ফন্ট ইনষ্টল করার পদ্ধতি দেওয়া থাকে কিন্তু আপনি যদি বন্ধুর পিসিতে বা সাইবার ক্যাফেতে ব্রাউজ করছেন যেখানে ফন্ট ইনষ্টল করা নেই এবং নতুন করে ফন্ট ইনষ্টল করার সুযোগও নেই সেক্ষেত্রে ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ওয়েবসাইট দেখতে পাবেননা। কিন্তু সবকিছুরই সমাধান আছে, এক্ষেত্রে Banglasavvy নামে মাত্র ২২৩ কিলোবাইটের একটি সফটওয়্যার www.banglasavvy.com ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে রান করলে সফটওয়্যারের ফোল্ডারে লিখনি নামে একটি ইউনিকোড ভিত্তিক উম্মুক্ত বাংলা ফন্ট আসবে এবং সিস্টেম ট্রেতে একটি হলুদ আইকন আসবে ফলে আপনি বাংলা ওয়েবসাইটের লেখা দেখতে পাবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিস্টেম ট্রেতে হলুদ আইকন দেখা যাবে ততক্ষণ বাংলা ওয়েবসাইট দেখা যাবে।

মেপে নিন ইন্টারনেটের গতি


আমরাতো প্রায় সকলেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু ইন্টারনেটের গতি কত তা কি কখনও মেপে দেখেছি। আমরা সাধারণত ইন্টারনেটের সর্বচ্চো গতিকে দেখে থাকি কিন্তু প্রতি গতি দেখতে পাবেন নেট মিটারের সাহায্যে। www.hootech.com/NetMeter ওয়েবসাইট থেকে নেট মিটার সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার দেখুন নেট মিটারে ডাউনলোড রেট, আপলোড রেট এবং উভয়ই গ্রাফ আকারে দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও নিচে তাদের মান প্রতি সেকেন্ডে আপডেট হচ্ছে। আপনি চাইলে কাষ্টমাইজ করে শুধু টেক্সট রাখতে পারেন। এভাবে নেট মিটারের উইন্ডোকে রেখে প্রতিনিয়ত ইন্টানেটের গতি দেখে নিতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১০

বিনা খরচে তৈরী করুন ব্যাক্তিগত ওয়েব সাইট

নিজের একটা ওয়েব সাইট থাক কে না চাই। সারা বিশ্বের সামনে নিজেকে তুলে ধরতে এর চেয়ে সহজ পথ আর আছে বলে মনে হয়না। বিনা খরচেও আপনি আপনার ওয়েব সাইট তৈরী করে সারা বিশ্বের কাছে আপনাকে তুলে ধরতে পারেন। তাইতো ওয়েব সাইটের দিকে সবার এতটা ঝোক। ইন্টারনেট সেবাদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানই ই-মেইলের মতো বিনামূল্যে ওয়েব সাইট তৈরীর সুযোগ (সাবডোমেইন বা ফোল্ডার) দিয়ে থাকে। ওয়েব সাইট তৈরী করতে হলে তিনটা বিষয় জানতে হবে ১. ওয়েব পেজ ডিজাইন, ২. ডোমেইন (সাবডোমেইন) রেজিষ্ট্রেশন ও ৩. ওয়েব পেজ হোষ্টিং। বিনামূল্যে এসব ওয়েব সাইটে ওয়েব পেজ হোষ্টিং এর জন্য ফাইল ম্যানেজার (ওয়েব) ব্যবহার করতে হয় কারণ বেশীর ভাগ সাইটই (বিনামূল্যে ওয়েব স্পেস দানকরী প্রতিষ্ঠান) এফটিপি সার্ভার ব্যবহার করতে দেয় না এবং ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে গ্রাহকদের সহজে ওয়েব পেজ আপলোড করতে দিয়ে থাকে। কম্পিউটারে যারা অল্প পারদর্শী মূলত তাদের জন্যই এখানে আলোচনা করা হয়েছে। প্রথমে আসা যাক কিভাবে ওয়েব পেজ তৈরী করবেন। সল্প পরিসরে ওয়েব পেজ তৈরীর বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়। ইতিপূর্বে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকাতেও ওয়েব পেজ তৈরীর পদ্ধতি প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া ভাল ও আকর্শনীয় ভাবে ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারদর্শী কারো পরামর্শ নিতে পারেন। এখানে শুধুমাত্র মূল একটি পেজ তৈরীর পদ্ধতি আলোচনা করা হবে হোষ্টিং এর সুবিধার্থে।
যেভাবে ওয়েব পেজ তৈরী করবেন: আপনার ওয়েব সাইটে যা দেখতে চান তা মাক্রোসফ্ট ফন্টপেজ ওপেন করে টাইপ করুন। চাইলে আপনার ছবি বা অন্য কোন বিষয় সংযুক্ত করুন মাক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে যেভাবে কাজ করেন। এছাড়া ডানে এইচটিএমএল এ ক্লিক করে কোড এবং প্রিভিউ এ ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন কেমন হচ্ছে আপনার ওয়েব পেজ। এবার নির্দৃষ্ট একটা ফোল্ডারে index.html নামে সেভ করুন (সেভ করার সময় উপরে Change Title ক্লিক করে আপনার পছন্দের টাইটেল টাইপ করুন কারণ এই টাইটেলই ওয়েব পেজের টাইটেল বারে প্রদর্শিত হবে)। আপনি যদি ছবি বা ওয়ার্ড আর্ট ব্যবহার করে থাকেন সেভ করার সময় Save Embedded Files আসবে এখানে ওকে করলে উক্ত ফোল্ডারে নতুন ফাইল বা প্রয়োজনে সাবফোল্ডার তৈরী হবে। এছাড়া ফন্টপেজের বই এর সাহায্য নিয়ে আরো ভালোভাবে ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারেন। এখানে মনে রাখতে হবে আপনার কম্পিউটারে তৈরী করা ওয়েব পেজের জন্য যেসব সাবফোল্ডার ও ফাইল তৈরী হয়েছে বা যেভাবে আছে সার্ভারে একই ভাবে একই নামে এক এক করে আপলোড করতে হবে।
বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের সুবিধা দিয়ে থাকে, যেমন কিছু কিছু ওয়েবের স্পেস বেশী দিয়ে থাকে, কিছু দিচ্ছে সাবডোমেইন আর কিছুবা ফোল্ডার এবং কিছু কিছু বিজ্ঞাপন হিসাবে, ব্যানার, পপআপ বা টেক্সট লিংক অন্যান্য কিছু থাকে ফলে আপনি বেছে নিন কোনটি আপনার প্রয়োজন। নিচে এমনই কিছু ওয়েব সাইটের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
www.50webs.com
৫০ মেগাবাইট পরিমান ওয়েব স্পেস দিয়ে এবং খুব সহজেই আপলোড করার সুযোগ থাকছে এই ওয়েব সাইটে। এখানে আপনাকে দেওয়া হবে ফোল্ডার এই সাইটে কোন বিজ্ঞাপন নেই। এখানে আপনি সাব-ডোমেইন পাবেন। আপনি mehdiakram নামে রেজিষ্ট্রেশন করলে ওয়েব সাইট হবে mehdiakram.50webs.com|
www.geocities.com
ওয়েব স্পেস পেতে এখানেও সার্ভারে ফোল্ডার থাকছে যাদের ইহাহুতে মেইল এ্যাকাউন্ট আছে। আপনার যদি ইহাহুতে এ্যাকাউন্ট না তাকে তাহলে আপনি চাইলে ইহাহুতে একটি ফ্রি এ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারেন। আপনার মেইল আইডি যদি mehdiroyal হয় তাহলে, আপনার ওয়েব সাইটের এড্রেস হবে www.geocities.com/mehdiroyal| এখানে আপনাকে ২৫ মেগাবাইট পরিমান ওয়েব স্পেস দিবে। তবে বিজ্ঞাপন হিসাবে থাকবে ওয়েবসাইটের ডানে একটি উইন্ডো যা ওয়েব সাইট ব্রাউজ করার সময় বন্ধ করা যাবে। এখানে ৫ মেগাবাইটের বড় কোন ফাইল আপলোড করা যাবে না।
www.50megs.com
এখানে আপনি পাবেন ৫০ মেগাবাইট ওয়েব স্পেস। এখানে সাবডোমেইন দেওয়া হবে এবং ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে সহজে ফাইল আপলোড করা যাবে। এখান থেকে তিন ধরণের সাবডোমেইন পাবেন i8, 5u বা 50megs| অর্থাৎ mehdiakram নামে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি যদি 5u সাবডোমেইনটি পছন্দ করেন তাহলে আপনার ওয়েব সাইট হবে www.mehdiakram.5u.com| তবে এখানে রোজিষ্ট্রেশনের ৭ দিন পর থেকে ওয়েব পেজের উপরে ব্যানার আকারে থাকবে ওয়েব সাইটটির বিজ্ঞাপন।
www.inbangladesh.com
এখানেও www.50megs.com এর মতই একই ভাবে রেজিষ্ট্রেশন ও অনান্য সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এখানে একটাই সাবডোমেইন আছে ফলে এখানে আপনার ওয়েব সাইট তৈরী করলে ওয়েব সাইটের ঠিকানা হবে www.yourname.inbangladesh.com|
এরকম আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে ফ্রি হোস্টিং এর জন্য।
যেভাবে আপলোড করবেন: যেহেতু এসব ফ্রি ওয়েব সাইটে একই রকমের ফাইল ম্যানেজার থাকে সুতারাং একটি ওয়েব সাইটের ফাইল ম্যানেজার নিয়ে আলোচনা করলেই যথেষ্ট হবে। প্রথমে আপনি www.50webs.com এ লগইন করুন এবং আপলোড ফাইল এ পপআপ মেনু থেকে আপলোড সিঙ্গেল ফাইলে ক্লিক করে index.html টি আপলোড করুন যদি এর সাথে অন্য কোন ফাইল থাকে তহালে তাও আপলোড করুন। আর যদি কোন ফোল্ডার থাকে তাহলে নিউ ডাইরেক্টরিতে ক্লিক করে একই নামে ফোল্ডার তৈরী করুন এবং উক্ত ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করে ওপেন করে কম্পিউটারে থাকা একই নামের ফোল্ডারের ফাইলগুলো আপলোড করুন। অবশেষে ব্রাউজ করে দেখুন কেমন হলো।
ওয়েব এড্রেস সক্ষিপ্ত করুন: আপনার বিনামূল্যে তৈরী করা ওয়েব সাইট দীর্ঘ্য হতে পারে কারন সাবডোমেইন বা ফোল্ডারের কারনে যা অন্যের মনে রাখা কষ্টকর। আপনি চাইলে এই সাইটকে ছোট করতে পারেন www.dot.tk ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। এখানে আসলে কোন ওয়েব স্পেস পাওয়া যাবে না। এই ওয়েব সাইট আপনার ওয়েব সাইটের শটকার্ট হিসাবে কাজ করবে। অর্থাৎ আপনার তৈরী করা মূল ওয়েবসাইট যদি http://mehdiakram.50webs.com হয় এবং এখানে আপনি mehdi-akram নামে রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েব সাইট হবে http://mehdi-akram.tk বা www.mehdi-akram.tk| সুতারাং এই সাইটের মাধ্যমে আপনার তৈরী করা বড় ওয়েব এড্রেসকে ছোট করতে পারবেন, যা অন্যের মনে রাখার সুবিধা হবে। এখানে রেজিষ্ট্রেশনের ৭২ ঘন্টা পরে আপনার এই ওয়েব সাইট এ্যকটিভ হবে এবং ৯০ দিনে কমপক্ষে ২৫ বার এই ওয়েব সাইট ব্রাউজ করতে হবে নইলে রেজিষ্ট্রেশন বাতিল হবে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইটের অধীনে ৫টি কাল্পনিক ই-মেইল এড্রেস খুলতে পারবেন। যেমন আপনার ওয়েব সাইট যদি www.mehdi-akram.tk হয় তাহলে আপনি চাইলে আপনার ই-মেইল এড্রেস info[at]mehdi-akram.tk নামে খুলতে পারেন যা শুধুমাত্র আপনার মেইলকে ফরওয়ার্ড করার সুবিধা দিবে (এই এড্রেসে ই-মেইল করলে লিংক করা আসল ই-মেইলে মেইল পাঠাবে এই ওয়েবসাইট), কোন ই-মেইল বা স্পেস দেবে না। অতএব, আর দেরী না করে নিজের জন্য তৈরী করুন একটি ওয়েব সাইট এবং বিশ্বকে জানিয়ে দিন আপনার পরিচয়।
বি:দ্র: ইমেইল ঠিকানাতে [at] এর স্থলে @ পড়তে হবে।

মন্দ ওয়েব সাইটগুলো বন্ধ রাখুন


k9-0.pngপ্রযুক্তি আশির্বাদ বা কি অভিশাপ তা দিয়ে তর্ক করার কিছু নেই। একাধারে প্রযুক্তি আশির্বাদ এবং অভিশাপও। আমরা দিনে দিনে প্রযুক্তির উপরে তুলনামূলকভাবে বেশী নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছি। তেমনই বর্তমানে তারহীন প্রযুক্তির আশির্বাদে ইন্টারনেট মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌছে গেছে। এই ইন্টারনেট যেমন পৃথিবীকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয় তেমনই অশ্লীল, কুরুটিকর, অসামাজিক বা অনান্য ক্ষতিকারক তথ্য ছবি ইত্যাদি সহজলভ্য করেছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা এমন হাজারো ওয়েব সাইট যেমন মানুষের রুচিবোধ নষ্ট করছে তেমনই মাধ্যমে ছাড়াছে বিভিন্ন রকমের কম্পিউটার ভাইরাস। আপনি যদি বাসাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ইন্টারনেটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিৎ। কিন্তু কোটি কোটি ওয়েব সাইটের ভিড়ে এধরণের ওয়েব সাইট খুঁজে খুঁজে বেড় করে তা বন্ধ করা সম্ভব নয়। অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকারক, অশ্লীল বা পর্ণগ্রাফি সাইটগুলো ব্লক করা যাবে এমন ওয়েববেসট সফটওয়্যার হচ্ছে কে৯ওয়েবপ্রটেকশন। বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য k9-2.png
এই ওয়েবসফট দ্বারা প্রায় সকল ধরণের সাইট ব্লক করা যাবে। সফটওয়্যারটি www.k9webprotection.com সাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। ডাইনলোডের সময় আপনাকে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে। তাহলে আপনার মেইল ঠিকানাতে ডাউনলোডের লিংক মেইলের মাধ্যমে যাবে সাথে ইনষ্টলের জন্য ফ্রি লাইসেন্স কী যাবে যা ইনলষ্টের প্রয়োজন হবে। ২৩৪ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল (পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে) করে নিন। যা ইন্টারনেটের সংযোগ রেখে করতে হবে কারণ আপনার পাসওযার্ড কে৯ওয়েবপ্রটেকশন সাইটে যুক্ত হবে। ইনষ্টল শেষে কম্পিউটার রিবুট করতে বলবে। রিবুটের পরে ডিফল্ট ব্লকিং কার্যকর হবে। আপনি চাইলে ব্লকিংসহ সবকিছু পরিবর্তন এবং পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এজন্য ডেক্সটপের শর্টকাটের মাধ্যমে চালু করুন তাহলে তা (ডিফল্ট) ওয়েব ব্রাউজারে চালু হবে। এখানে You are protected by K9 Web Protection! সমৃদ্ধ একটি পেজ আসবে যার মাঝে সেটআপ এ ক্লিক করে পাসওয়ার্ডের সাহায্যে লগইন করুন।
k9-1.png
ওয়েব ক্যাটাগরিজ টু ব্লক: লগইন হলে প্রথমে Web Categories to Block এর Protection Level আসবে যা ডিফল্ট অবস্থায় রয়েছে। আপনি চাইলে অন্যটিতে পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়াও ডিফল্ট অবস্থায় কোন কোন ধরণের সাইট প্রোটেক্ট অবস্থায় রয়েছে তা দেখতে পারবেন এ Show Details ক্লিক করে। ডিফল্ট অবস্থায় ২১ ধরণের ওয়েব সাইট ব্লক রয়েছে এর মধ্যে সামাজিক নেটওয়ার্কের ওয়েবসাইটগুলোও (ফেসবুক, মাইস্পে, অরকুট ইত্যাদি) রয়েছে। এছাড়াও হাই লেবেল এর মধ্যে আরো অতিরিক্ত ৫ ধরণের সাইট রয়েছে চ্যাটিং, নিউজগ্রুপ ইত্যাদি, যা মূলত শিশুদের জন্য। এছাড়াও কাষ্টমাইজ ভাবে আপনি ইচ্ছামত বিভিন্ন ধরণের সাইট ব্লক বা খুলে রাখতে পারেন।
k9-3.png
টাইম রেস্ট্রিকশন: টাইম রেস্ট্রিকশন হচ্ছে আপনি কি বারে এবং কখন কখণ বন্ধ করে রাখা ওয়েব সাইটগুলোতে ব্যবহারের অনুমতি দিবেন তা নির্ধারণ করে দেওয়া।
ওয়েব সাইট একসেপশন: উপরোক্ত ক্যাটাগরির বাইরের কোন ওয়েব সাইট আপনি মেনুয়ালি ব্লক করতে পারেন বা ক্যাটাগরির মধ্যে ব্লক করা ওয়েব সাইটকে আপনি স্থায়ীভাবে অনুমতি দিতে পারেন।
ব্লকিং ইফেক্টস: আপনার ব্লক করা সাইটে প্রবেশ করলে কিধরণের ফলাফল আসবে তা এখানে নির্ধারণ করে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ব্লক করা সাইটে প্রবেশ কবলে তা আনব্লক করার জন্য এডমিন অপসন আসবে কিনা তা উল্ল্যেখ করে দেওয়া য়ায়। ফলে ওয়েব সাইট ব্লক থাকলে তা ১৫ মিনিট জন্য বা স্থায়ীভাবে আনব্লক করা যাবে পাসওয়ার্ডের সাহায্যে।
ইউআরএল কীওয়ার্ড: কী ওয়ার্ডের উপরে ভিত্তি করে আপনি ওয়েব সাইট ব্লক করতে পারেন। ফলে আপনার দেওয়া কীওয়ার্ড যে যে ওয়েব সাইটের কীওয়ার্ডের সাথে মিলে যাবে সেগুলো সয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হয়ে যাবে।
আদার্স সেটিং: এখানে গুগলকে সেফ সার্চ হিসাবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
k9-4.png
পাসওয়ার্ড/ইমেইল: এখানে আপনি পাসওয়ার্ড এবং ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়া ভিউ ইন্টারনেট একটিভিটিতে আপনি বিস্তারিত সকল কিছু রিপোর্ট আকারে পাবেন। বাসাতে বা স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ওয়েব বেসড ফিল্টারিং সিস্টেম বেশ উপকারে লাগবে। এটি একই সাথে ক্ষতিকারক ভাইরাস বা স্প্যাইওয়্যার থেকে বাচাঁতে পারবে।

একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা

আমরা যারা মোবাইল বা মডেম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা চাইলে অনান্য লোকাল কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারি। ধরি আপনার কম্পিউটারটি আরো দুটি কম্পিউটারের সাথে ল্যানের সাহায্যে সংযোগ স্থাপন করা আছে। আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়েছেন। এখন আপনি চাইলে অনান্য কম্পিউটারগুলোতেও ইন্টারনেটের সংযোগ দিতে পারেন শেয়ার করে। এতে অবশ্য গতি কিছুটা কমে যাবে।এজন্য আপনি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস দেখে নিন। ধরি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৯২.১৬৮.১.১২।


প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করুন। এরপরে সিস্টেম ট্রেতে থাকা উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন। অথবা Control Panel থেকে Network Connections এ গিয়ে উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন একটি স্টেটাস উইন্ডো আসবে। এবার General ট্যাবে থেকে Properties বাটনে ক্লিক করুন তাহলে প্রোপার্টিস উইন্ডো আসবে। এবার Advance ট্যাবে ক্লিক করে Internet Connection Sharing অংশে Allow other network users to connect through this computer’s internet connection চেক (যদি আপনার একাধিক লোকাল এরিয়ার সংযোগ থাকে তাহলে একটি ম্যাসেজ আসবে যে আপনি কোন লোকাল এরিয়াতে ইন্টারনেট শেয়ার দিবেন, আপনি আপনার পছন্দেরটি নির্বাচন করবেন।) করে Ok করুন। তাহলে Network Connections এর পরপর তিনটি ম্যাসেজ আসবে যেগুলোতে ধারাবাহিক ভাবে Ok Yes Ok করুন। এখন দেখুন আপনার কম্পিউটারের লোকাল আইপি পরিবর্তন হয়ে ১৯২.১৬৮.০.১ হয়েছে।

এখন আপনি লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার আইপি ১৯২.১৬৮.০.১ পরিবর্তন করে পূর্বের আইপি ১৯২.১৬৮.১.১২ দিন এবং Ok করুন।
এবার যে কম্পিউটারে আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান সেই কম্পিউটারের লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার Default gateway এর আইপি এড্রেস হিসাবে ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখুন। এরপরে Use the flowing DNS server addresses অপশন বাটন চেক করে Preferred DNS server এর আইপি এড্রেস হিসাবেও ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখে Ok Ok Ok করুন।
এবার দেখুন আপনার এই কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সংযোগ এসেছে। এভাবে আপনি অন্য আরেকটি কম্পিউটারে সংযোগ নিতে পারনে। ব্রডব্যান্ডের সংযোগও এভাবে শেয়ার করে ব্যবহার করা যাবে।

অনলাইনে ভার্চুয়াল ট্রেনিং সেন্টার

অনলাইনেই আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যারের উপরে ট্রেনিং নিতে পারেন। মূলত বিভিন্ন সফটওয়্যারের উপরে ৬৫০ টির বেশী কোর্সের উপরে প্রায় ৭০ হাজার ভিডিও ক্লিপস রয়েছে এর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ফ্রি। আপনি www.vtc.com থেকে বিনামূল্যে বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। কুইক টাইম এবং ফ্লাশ মুডে ভিডিওগুলো দেখা যাবে।

অনলাইনে টাইপিং শিখুন

কম্পিউটার ব্যবহার করেন অথচ যথা নিয়মে টাইপিং করতে পারেন না এমন ব্যবহারকারীর সংখ্যাই বেশী। বিভিন্ন কারণে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে টাইপিং শেখা হয়ে ওঠে না। নিয়ময়ানুগভাবে টাইপিং করতে পারলে যেমন নির্ভূল হয় তেমনই গতিও বেশী হয়। টাইপিং শেখা বা অনুশীলন করা জন্য বেশ কিছু ভাল সফটওয়্যার আছে। তবে সফটওয়্যার ছাড়াও অনলাইনেই টাইপিং শিখতে বা অনুশীলন করতে পারবেন। এমনই একটি ওয়েব সাইট হচ্ছে www.typingweb.com। এই সাইটে আপনি আপনার টাইপ করার সাথে সাথে টাইপের গতি, শুদ্ধতা ইত্যাদি ফলাফল দেখতে পাবেন। বিভিন্ন কোর্সের মধ্যে শুরুর কোর্সগুলোতে টাইপিং করার সময় কীবোর্ড, হাত এবং আঙ্গুলের অবস্থান, কী ইত্যাদি দেখাবে। আর উক্ত সাইটে এসকল তথ্য সংরক্ষিত করে রাখতে চাইলে সাইটিতে রেজিস্ট্রেশন (বিনামূল্যে) করে লগইন করে অনুশীলন শুরু করুন। ফলে পরবর্তিতে আপনার টাইপিং এর সকল পরিসংখ্যান রিপোর্ট আকারে পাবেন।

গুগল ডক্সের ফাইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ নেওয়া।

যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের বেশীর ভাগই ফাইল সংরক্ষণ বা ব্যবহারের জন্য গুগল ডক্স ব্যবহার করে থাকেন। গুগল ডক্সের ফাইলগুলো সহজেই ডাউনলোড করা যায় জিডক্সব্যাকআপ সফটওয়্যার দ্বারা। মাত্র ১৯০ কিলোবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/gdocbackup/ বা http://gs.fhtino.it/gdocbackup থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন (এজন্য অবশ্য ডট নেট ২.০ প্রয়োজন হবে)। এই সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের পাশাপাশি লিনাক্সেও চলবে। এবার সফটওয়্যাটি চালু করে জিমেইলের ইউজার, পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথায় সেভ করবেন না নির্ধারণ করে সেভ বাটনে ক্লিক করে Exec বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত একাউন্টের ডক্সে থাকা সকল ফাইল (ফোল্ডারসহ) সেভ হবে। এটির ভিডিও টিউটরিয়াল
You-tube Video Link : http://www.youtube.com/watch?v=OhQdqd2VKOI&feature=player_embedded 

দৈনন্দিন কাজে গুগল ক্যালেন্ডাররে ব্যবহার।

প্রতিদিনই আমরা রুটিন মাফিক চলি। বিশেষ বিশেষ মুহুর্তগুলো আমাদের সতর্কতারসাথে মনে রাখতে হয়। বিশেষ কোন মুহুর্ত যদি সময় মত ভুলে যায় এবং সময়ান্তে মনে পরে তাহলে নিজের চুল ছিড়া ছাড়া কোন কিছু করার থাকে না। এমন যদি হতো কেউ আপনাকে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের আগে জানিয়ে দিতো তাহলে কেমন হতো! গুগল ক্যালেন্ডার আপনার এসব ইভেন্টগুলোর নির্দিষ্ট সময় আগেই আপনার মোবাইলে এসএমএস করে, ইমেইলে করে বা পপআপ হিসাবে মনে করিয়ে দেবে, তাও আবার বিনা পয়সায়।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
মোবাইল সেটআপ করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি

ইমেইল এ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ই-মেইল ঠিকানা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর ইমেইল ব্যবহারকারীরর বেশীরভাগই বিনামূল্যে ই-মেইল সেবা ব্যবহার করেন। এর মাধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ইয়াহু!, ইটমেইল, জিমেইল ইত্যাদি। এসব সাইটে এ্যাকাউন্ট খুললে ই‑মেইল সেবার পাশাপাশি অনান্য সেবাও পাওয়া যাবে। বিনামূল্যে হওয়াতে অনেক সময় অপ্রয়োজনেও আমরা এ্যাকাউন্ট খুলে থাকি। কিন্তু আমরা কজনেই বা ইমেইল ঠিকানা বা এ্যাকাউন্ট মুছতে পারি। আমরা এখন এ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পদ্ধতি শিখবো।
ইয়াহু!: ইয়াহু!এর এ্যাকাউন্ট মুছতে হলে প্রথমে https://edit.yahoo.com/config/delete_user ঠিকানাতে যান এবং এবার ইউজারের নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। এরপর নিচে পুনরায় পাসওয়ার্ড দিয়ে (YES) Terminate this বাটনে ক্লিক করলে ইয়াহু!একাউন্ট মুছে যাবে।
হটমেইল: প্রথমে হটমেইল এ্যাকাউন্টে লগইন করুন। এবার উপরের ডান দিকের Help বাটনে ক্লিক করুন এবং search অংশে Close Account লিখে সার্চ করুন। এবার সার্চে আসা ফলাফল থেকে Close Your Account লিংকে ক্লিক করুন এবং পরবর্তী অংশ থেকে Close Account বাটনে ক্লিক করলে এ্যাকাউন্ট মুছে হবে।
জিমেইল: জিমেইল এ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হলে প্রথমে লগইন করতে হবে। এরপর উপরের ডান দিকের Settings লিংকে ক্লিক করুন। এরপর ট্যাবে Accounts ক্লিক করে Google Account settings ক্লিক করুন। এরপর ডান দিকের Edit next to My services -এ ক্লিক করে Delete Gmail Service ক্লিক করলে এ্যাকাউন্ট মুছে যাবে।
তবে এ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যাকআপ করে নিতে হবে। এ্যাকাউন্ট মুছে ফেললে সকল তথ্যই মুছে যাবে, মুছে যাওয়া ফাইল কোন ভাবেই পূনরোদ্ধার করা যাবে না এবং উক্ত নামে অন্য কেউ এ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে।

গুগলে ফটো এলবাম তৈরী করুন।

গুগল তাদের গ্রাহকদের জন্য এবার পিকাসা ফটো এলবাম নামে অনলাইন ফটো এলবাম তৈরী করা সুযোগ করে দিলো। ফলে জিমেইলে একাউন্ট থাকলে আপনিও গুগলে পিকাসা ফটো এলবাম তৈরী করতে পারবেন। পিকাসা ফটো এলবামের ওয়েব ঠিকানা http://picasaweb.google.com। গুগলের এই ফটো এলবামের যায়গা ২৫০ মেগাবাইট এতে ফোল্ডারের মত একাধিক এলবাম তৈরীর সুযোগ রয়েছে এবং একটি এলবামে সর্বোচ্চ ৫০০টি ছবি আপলোড করা যাবে। আপনার জিমেইল আইডি যদি mehdi.akram হয় তাহলে ফটো এলবাম তৈরী করলে ঠিকানা হবে http://picasaweb.google.com/mehdi.akram। এলবাম তৈরীর সময় এই ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এখানে এলবাম দুই ভাবে তৈরী করা যায় ব্যাক্তিগত বা উম্মুক্ত ভাবে। এছাড়াও একটি এলবাম অথবা ছবিকে মাইস্পেসে বা ব্লগে যুক্ত করা যাবে। তবে সবচেয়ে সুবিধা হয় যদি পিকাসা ২.৫ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নেওয়া যায়। পিকাসা ২.৫ এর সাহায্যে সরাসরি ওয়েব এলবামে লগইন করে ফটো এলবাম ব্যবহার কারা যায় এবং সহজে ফটো আপলোড করা যায়। এছাড়াও পিকাসায় আগের তুলনায় আরো উন্নত ও আকর্ষণীয় ফিচার যুক্ত হয়েছে; যেমন, ছবি দ্বারা মুভি তৈরী, স্ক্রিনসেভার তৈরী, ছবি সম্পাদনা, স্লাইডশো তৈরী, ইমেইল করা, ব্লগে পোষ্ট করা, www.hello.com এ পোষ্ট করা, ইমেজ সিডি রাইট করা, ফটো ওয়েব পেজ তৈরী করা ইত্যাদি। সুতারাং চটজলদি ডাউনলোড করে নিন পিকাসা এবং তৈরী করুন আপনার অনলাইন ফটো এলবাম।

এক্সপির বুট লগো পরিবর্তন করুন।



boot-logo.jpgউইন্ডোজ এক্সপির বুট লগোতে সাধারণত এক্সপির নিজস্ব ছবি দেখা যায়। আপনি চাইলে উক্ত ছবিটি পরিবর্তন করে নিজের পছন্দের ছবি দিতে পারেন। সিস্টেম৩২ ফেল্ডারের (windows\system32) ntoskrnl.exe ফাইলে উক্ত ছবি রয়েছে, যা পরিবর্তন করতে হবে। রিসোর্স হ্যকারের সাহায্যে সহজে এই ছবি পরিবর্তন করা যায়। এজন্য আপনার প্রয়োজন 640 X 480 সাইজের ১৬ কালারের (১৬ বিটের নয়) ছবি। ছবিটি তৈরীর জ্য আপনি MS Paint খুলে ইমেজ সাইজ 640 X 480 নিন। এবার সেভ করুন 16 Color Bitmap হিসাবে। তাহলে ছবিটি ১৬ কালারে সেভ হবে। এবার উক্ত ইমেজে ইচ্ছামত কিছু লেখুন বা পছন্দের ছবি কপি করে এনে পেষ্ট করতে পারেন। ছবিটি পেষ্ট করলে মূল কালার পরিবর্তন হয়ে ১৬ কালারে হবে।
এবার ছবিটি পরিবর্তনের জন্য প্রথমে ntoskrnl.exe ফাইলটি ব্যাকআপ করুন (কপি করে newntoskrnl.exe নামে রিনেম করুন তথ্য পরিবর্তনের জন্য)। এবার Resource Hacker সফটওয়্যারটি খুলুন। (Resource Hacker সফটওয়্যারটি www.users.on.net/johnson/resourcehacker থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে)।    এখন ফাইল মেনু থেকে ওপেনে ক্লিক করে system32 ফোল্ডার থেকে newntoskrnl.exe ফাইলটি খুলুন। এবার বাদিকের পেনে রিসোর্স তালিকা থেকে Bitmap ফোল্ডারটি দুবার ক্লিক করে ১ নামের ফোল্ডারটি দুবার ক্লিক করে ১০৩৩ নামের রিসোর্স ফাইলটি সিলেক্ট করুন তাহলে ডানে উইন্ডোজের বুট লগোর ছবি দেখা যাবে। এখন Action মেনু থেকে Replace Bitmap… ক্লিক করুন তাহলে Replace Bitmap in.. ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে Open file with new bitmap বাটনটিতে ক্লিক করে আপনার ছবিটি সিলেক্ট করে ওপেন করুন। এখন Select bitmap to replace এ ১ সিলেক্ট রেখে Replace বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এবার কম্পিউটার পূনরায় চালু (রিস্টার্ট) করে সেভমোডে (উইন্ডোজ চালু হওয়ার আগেই F8 চেপে) খুলুন। কম্পিউটার সেভমোডে চালু হলে windows\system32 ঢুকে ntoskrnl.exe ফাইলটি mainntoskrnl.exe নামে রিনেম করুন এবং newntoskrnl.exe ফাইলটি ntoskrnl.exe নামে রিনেম করুন। এবার কম্পিউটার পূনরায় চালু করলে দেখবেন উইন্ডোজের বুট লগো এর পরিবর্তে আপনার পছন্দের ছবিটি দেখা যাচেছ।

উইন্ডোজ এক্সপির গতি বৃদ্ধি করুন।

উইন্ডোজের পূর্বের অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় উইন্ডোজ এক্সপির গ্রাফিক্স অনেক উন্নত এবং এই অপারেটিং সিস্টেম অনেক বেশী যায়গা দখল করে ও বেশী র্যামও ব্যবহৃত হয়, ফলে র্যাম কম হলে এবং হার্ডডিক্সের যায়গা কম থাকলে কম্পিউটারে গতি কম হয়। উন্নত ও অতিরিক্ত অনেক সুবিধা থাকার ফলে অনেক সমস্যা ভোগ করতে হয়। কিন্তু সব উন্নত সুবিধাই কি আাপনার প্রয়োজন? আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি আপনার এক্সপিকে বিভিন্ন ভাবে পরিবর্তন করে গতি বৃদ্ধি করতে পারেন। এমনই কিছু সুবিধা, অসুবিধা ও গতি বৃদ্ধির পথই দেখানো হলো।
ভার্চুয়াল মেমোরী বৃদ্ধি: মাল্টিটাস্কিং এর ব্যপক ব্যবহার হচ্ছে এখনকার সময়, সেই সাথে র্যাম বা মেমোরী বাড়াবার প্রয়োজনও। একই সাথে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম খুলে কাজ করা সময় বাচাঁনোর অন্যতম পথ। কিন্তু গতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে নইলে সময় বাচাঁতে গিয়ে তা অপচয় হবে। আপনার কম্পিউটারের র্যাম কম হলেও বেশী করে ভার্চুয়াল মেমোরী বৃদ্ধি করে রাখতে পারেন, যা গতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এজন্য Control Panel থেকে System ওপেন করলে System Properties আসবে। এবার System Properties থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Performance ফ্রেম থেকে Settings বাটনে ক্লিক করলে Performance Options উইন্ডো আসবে। এবার এখানে Advanced ট্যাবে ক্লিক করে নিচের Virtual Memory ফ্রেম থেকে Change বাটনে ক্লিক করে বেশী যায়গা থাকা ড্রাইভ সিলেক্ট করে Custom Size অপশন বাটন চেক করে Initial Size ও Maximum Size এ পর্যাপ্ত পরিমানের যায়গা (মেগাবাইট) লিখে করে Set বাটনে ক্লিক করে Ok করুন। চাইলে সব ড্রাইভেই তা করতে পারেন।
পারফরমেন্স বৃদ্ধি: উইন্ডোজ এক্সপি দেখতে পূর্বের সব অপারেটিং সিস্টেম থেকে অনেক আকর্শনীয় ফলে এর পারফরমেন্স কিছুটা হলেও কমবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনি চাইলে এই আকর্শনীয় গ্রাফিক্সকে কমিয়ে পারফরমেন্স বৃদ্ধি করতে পারেন। এজন্য Control Panel থেকে System ওপেন করুন। এবার System Properties থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Performance ফ্রেম থেকে Settings বাটনে ক্লিক করলে Performance Options উইন্ডো আসবে এখানে Virtual Effects ট্যাবের Adjust for best performance অপশন বাটন সিলেক্ট করে Ok করুন। তহালে দেখবেন আপনার উইন্ডোজের সবকিছু অপারেটিং সিস্টেম ’৯৮ এর মত হয়ে গেছে কিন্তু গতি বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক গুণ এবং উইন্ডোজ এক্সপির সব ফিচারতো থাকছেই। এছাড়া আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাইলে Adjust for best appearance অপশন বাটন সিলেক্ট Ok করলেই হবে বা কিছুটা পরিবর্তন করতে চাইলে কাস্টম করতে পারেন।
সিস্টেম রিষ্টোর বন্ধ করা: সিস্টেম রিষ্টোরের সুবিধা আমরা কম বেশী সবাই জানি। হার্ডডিক্সের কোন ফাইল মুছে গেলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এই সিস্টেম রিষ্টোরের মাধ্যমে। কিন্তু এজন্য আপনার সিস্টেম আপনার হার্ডডিক্স ড্রাইভের সর্বোচ্চ শতকরা ১২ ভাগ যায়গা দখল করে রাখে। আপনি সিস্টেম রিষ্টোর বন্ধ করে রাখলে হার্ডডিক্সে যায়গা রক্ষা করা সহ গতিও বৃদ্ধি পাবে। সিস্টেম রিষ্টোর বন্ধ করতে Control Panel থেকে System ওপেন করুন। এবার System Properties থেকে System Restore ট্যাবে ক্লিক করে Turn off System Restore on all drives চেক বক্স সিলেক্ট করে Ok করুন, তাহলে সকল ড্রাইভের সিস্টেম রিষ্টোর বন্ধ হবে। এছাড়া চাইলে ড্রাইভ বিশেষ যায়গা কমাতে বা নির্দৃষ্ট ড্রাইভের সিস্টেম রিষ্টোর বন্ধ করতে পারবেন। এজন্য Turn off System Restore on all drives চেক বক্স সিলেক্ট না করে পছন্দের ড্রাইভটি সিলেক্ট করে পাশের Settings বাটনে ক্লিক করে Turn off System Restore on this drives চেক বক্স সিলেক্ট করে উক্ত ড্রাইভের রিষ্টোর বন্ধ করুন বা নিচ থেকে ডিক্স স্পেস পরিবর্তন করুন।
হাইবারনেট বন্ধ করা: উইন্ডোজ এক্সপির বাড়তি সুবিধাগুলোর মধ্যে হাইবারনেট অন্যতম। হাইবারনেটের সুবিধা হচ্ছে সিস্টেম (কম্পিউটার) বন্ধ না করে হাইবারনেট করলে চলতি সব প্রোগ্রামই পরবর্তীতে সিস্টেম ওপেন করার সময় আবার পূর্বের অবস্থা থেকে চালু হবে। কিন্তু হাইবারনেটের ফলে সিস্টেমের অনেক যায়গা ব্যবহৃত হয় যা উইন্ডোজের গতি কমের আরেকটা কারণ। আপনি যদি হাইবারনেট বন্ধ করে রাখেন তাহলে যায়গা ও গতি উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। এজন্য Control Panel থেকে Power Options ওপেন করলে Power Options Properties আসবে এখান থেকে Hibernate ট্যাবে ক্লিক করে Enable Hibernate চেক বক্স আনচেক করে Ok করুন।
অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ রাখা: উইন্ডোজ খোলার সময় স্টার্টআপ থেকে অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম খোলে, যার অনেক গুলোই আপনার প্রয়োজন হয় না। এসব প্রোগ্রাম কম্পিউটারের র্যাম ও প্রসেসর উভয়ই ব্যবহার করে। যেমন আপনার কম্পিউটারে বিজয় সেটআপ দেওয়া আছে, আপনি কি প্রতিদিন বিজয় ব্যবহার করে থাকেন? যদি তা না করেন তহালে প্রতিবার সিস্টেম চালু হবার সময় কেন উক্ত প্রোগ্রামটি ওপেন হবে। এক্ষেত্রে তা স্টার্টআপ থেকে বাদ দিলে আর সিস্টেম চালু হবার সময় তা খুলবে না কিন্তু প্রয়োজনে মেনুয়াল ভাবে তা খুলে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও অনান্য অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ করতে স্টার্ট মেনু থেকে (Start + R চেপে) রান ক্লিক করে ওপেন করুন। এবার msconfig টাইপ করে Ok করলে System Configuration Utility ওপেন হবে এখান থেকে Startup ট্যাবে গিয়ে Startup Item থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো আনচেক করে Ok করুন, তাহলে সিস্টেম রিস্টার্টের ডায়ালগ বক্স আসবে এখান থেকে রিস্টার্ট করে বা না করেই বের হয়ে আসতে পারেন। পরবর্তীতে সিস্টেম চালু হবার সময় দেখবেন উক্ত প্রোগ্রাম ওপেন হচ্ছে না, ফলে আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়বে।
এছাড়া ডেক্সটপে কোন ওয়ালপেপার না রাখা বা স্ক্রিনসেভার ব্যবহার না করাই ভালো এবং স্টার্ট মেনু ও প্রোগাম মেনু থেকে অতিরিক্ত প্রোগ্রামে শর্টকাট মুছে ফেলুন। আর ডেক্সটপে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের শর্টকার্ট ছাড়া কোন ফাইল রাখবেন না। সম্ভব হলে উইন্ডোজ অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম সেটআপ দেয়া থেকে বিরত থাকুন এবং এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামস্ থেকে উইন্ডোজের অতিরিক্ত কম্পোনেন্ট বাদ দিন। এছাড়াও প্রতি সাত দিন অন্তর ডিক্স ক্লিন আপ এবং পনের দিন অন্তর ডিক্স ডিফ্রাগমেন্টার করুন।

দ্রুত গতিতে আপনার উইন্ডোজ চালু করুন।

কম্পিউটার (উইন্ডোজ) চালু হবার সময় বিভিন্ন সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ফোল্ডার, প্রিন্টার, শেয়ার ফাইল এবং শিডিউল টাস্ক চালু হবার ফলে কম্পিউটার চালু হতে অনেক সময় লাগে। আপনি চাইলে এগুলো বাদ দিয়ে দ্রুত উইন্ডোজ চালু করতে পারেন। এজন্য প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেল থেকে ফোল্ডার অপশন খুলুন। এবার View ট্যাব থেকে Automatically search for network files and folders চেক বক্স আনচেক করুন। এরপর রানে গিয়ে রেজিষ্টি এডিটর খুলে HKEY_LOCAL_MACHINE \Software \Microsoft \Windows \Current Version \Explorer \RemoteComputer \NameSpace এর D6277990-4C6A-11CF-8D87-00AA0060F5BF নির্বাচন করে ডিলিড করে ফেলুন। এবার উইন্ডোজ পুনরায় চালু করলে দেখবেন উইন্ডোজ আগের চেয়ে অনেক বেশী দ্রুত খুলছে।

আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিক্সের ড্রাইভ লুকিয়ে রাখা

নিরাপত্তা বা অনান্য সুবিধার কারণে আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিক্সের ড্রাইভ হইতো লুকিয়ে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিক্সের যেকোন ড্রাইভ বা সকল ড্রাইভ লুকিয়ে রাখতে পারেন।
পদ্ধতি ১: প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান এবং gpedit.msc লিখে Ok করুন, তাহলে গ্রুপ পলিসি এডিটর খুলবে। এখানে User Configuration –> Administrative Templates –> Windows Components –> Windows Explorer এ যান এবং ডান দিকের Hide these specified drives in My Computer নির্বাচন করুন এবং দুইবার ক্লিক করে উইন্ডো খুলুন। এবার Setting ট্যাবে থেকে enable অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Restric all deives বা পছন্দমত ড্রাইভ নির্বাচন করে Apply এবং Ok করুন এবং মাই কম্পিউটার খুলে দেখুন উক্ত ড্রাইভ নেই। আবার উক্ত লুকানো ড্রাইভ ফিরে পেতে একইভাবে Setting ট্যাবে থেকে disable অপশন বাটন নির্বাচন করে Apply এবং Ok করলেই হবে।
পদ্ধতি ২: www.mehdi-akram.tk ওয়েব সাইটে গিয়ে Hide Drive জিপ ডাউনলোড করে আনজিপ করুন। এবার যে ড্রাইভটি লুকাতে চান সেই রেজিষ্ট্রিটি রান করুন। এবান পুনরায় লগঅন কনে দেখুন উক্ত ড্রাইভটি নেই। আর ড্রাইভ ফিরিয়ে আনতে Recover All Hidden Drive রেজিষ্ট্রিটা চালালেই হবে।
পদ্ধতি ৩: রানে গিয়ে regedit লিখে রেজিষ্টি এডিটর খুলুন। এবার HKEY_LOCAL _MACHINE \SOFTWARE \Microsoft \Windows \CurrentVersion\ policies \Explorer গিয়ে ডানের প্যানেলে মাউসের বাটন ক্লিক করে new নির্বাচন করে DWORD Value ক্লিক করুন এবং লিখুন NoDrive| এবার NoDrive দুইবার ক্লিক করে Value data অংশে ড্রাইভের মান দিন। (ড্রাইভ A=1, B=2, C=4, D=8, E=16, F=32, G=64, H=128, I=256 এভাবে পরবর্তী ড্রাইভের মান বের করতে পারেন। আপনি যদি দুটি বা তার বেশী ড্রাইভ একই সাথে লুকাতে চান তাহলে ঐ ড্রাইভগুলোর মান যোগ করে মোট মান লিখুন)। আবার ড্রাইভ ফিরিয়ে আনতে NoDrive মুছে দিলেই হবে।

মাই কম্পিউটার থেকে শেয়ার ডকুমেন্ট বাদ দেওয়া

উইন্ডোজ এক্সপি বা ভিসতায় মাই কম্পিউটার খুললে শেয়ার ডকুমেন্ট দেখা যায়। উইন্ডোজের সাথে ডিফল্ট থাকা এই শেয়ার ডকুমেন্ট মুছে বাদ দেওয়া যায়। এজন্য রেজিস্ট্রি এডিটর থেকে HKEY_LOCAL_MACHINE> SOFTWARE> Microsoft> Windows> CurrentVersion> Explorer> My Computer> NameSpace> DelegateFolders যান এবং নিচে সাব কী {59031a47-3f72-44a7-89c5-5595fe6b30ee} মুছে দিন। এবার মাই কম্পিউটারে খুললে শেয়ার ডকুমেন্ট দেখা যাবে না।

বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১০

ফোল্ডার যখন শর্টকাট

আমরা সাধারণত কোন ফোল্ডার বা ফাইলের শর্টকাট তৈরী করতে চাইলে উক্ত ফোল্ডার বা ফাইল কপি করে শর্টকাট হিসাবে পেষ্ট করি। কিন্তু প্রিন্টার, সিডিউল টাস্ক, কন্ট্রোল প্যানেল বা ডায়াল-আপ নেটওয়ার্কের শর্টকাট তৈরী করা যায় ভিন্ন ভাবে। প্রিন্টারের শর্টকাট তৈরী করতে একটি নতুন ফোল্ডার নিয়ে তার নাম দিন Printer.{2227A280-3AEA-1069-A2DE-08002B30309D} তাহলে Printer নামে একটি প্রিন্টারের শর্টকার্ট তৈরী হবে যাতে দু’বার ক্লিক করলে প্রিন্টারস্ খুলবে। একই ভাবে সিডিউল টাস্কের জন্য Scheduled Tasks.{D6277990-4C6A-11CF-8D87-00AA0060F5BF} কন্ট্রোল প্যানেলের জন্য Control Panel.{21ec2020-3aea-1069-a2dd-08002b30309d} এবং ডায়াল-আপ নেটওয়ার্কের জন্য Dial-Up Networking.{992CFFA0-F557-101A-88EC-00DD010CCC48} লিখতে হবে। তবে আপনি যদি কোন ডকুমেন্ট সমৃদ্ধ (উক্ত ফোল্ডারে যদি কোন ফাইল বা ফোল্ডার থাকে) ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করে এভাবে শর্টকাট তৈরী করেন তাহলে তা উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। তবে কন্ট্রোল প্যানেল এর শর্টকাট তৈরী করলে Fake Folder এর সাহায্যে তথ্য উদ্ধার করা যাবে।

বন্ধের সময় ডকুমেন্টস পরিস্কার করা

আমরা কম্পিউটারে যেসকল কাজ করি তা ডকুমেন্টস -এ থেকে যায় এবং কোন কোন প্রোগ্রাম রান এর সাহায্যে চালিয়েছি তা রানে থাকে। পরবর্তীতে অন্যকেউ কম্পিউটার ওপেন করে দেখতে পারবে পূর্বের ব্যবহারকারী কি কি কাজ করেছে। এ থেকে মুক্তি পেতে হলে স্টাট মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন (বা Start+R চাপুন)। এবার Regedit লিখে OK করলে Registry Editor খুলবে। রেজিস্টি্র এ্যডিটর থেকে HKEY_CURRENT_USER > Software > Microsoft > Windows > CurrentVersion > Policies > Explorer সিলেক্ট করে Edit মেনু থেকে New সিলেক্ট করে DWORD Value এ ক্লিক করুন। তাহলে ডানে New Value #1 আসবে যা পরিবর্তন করে ClearRecentDocsOnExit লিখুন। এবার ClearRecentDocsOnExit এর উপরে দুবার ক্লিক করে Value Data অংশে ১ লিখুন এবং রেজিস্টি্র এ্যডিটর বন্ধ করুন। এখন থেকে লগ অফ বা কম্পিউটার বন্ধের সময় ডকুমেন্টস ও রান থেকে সকল তথ্য মুছে যাবে।

ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়াই কম্পিউটার খোলা

আপনার কম্পিউটারে একাধিক ইউজার থাকতে পারে সেক্ষেত্রে ইউজার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে কম্পিউটার খুলতে হয়। এমতবস্থায় অনান্য ইউজারের লগইন করার সুযোগ না দিয়ে সবসময় নির্দিষ্ট একটি ইউজারে কম্পিউটার খোলা যায়। এই সেটিংসের জন্য স্টার্ট থেকে রানে গিয়ে control userpasswords2 লিখে OK করুন তাহলে User Accounts প্রোপার্টিস শিট আসবে। এবার Users ট্যাব থেকে নির্দিষ্ট ইউজারটি সিলেক্ট করে Users must enter a user name and password to use this computer এর চেক বাটন আনচেক করুন এবং Apply করুন। এরপর উক্ত ইউজারের পাসওয়ার্ড দিয়ে OK করুন। এবার কন্ট্রোল প্যানেল থেকে User Accounts খুলুন এবং Change the Way Users Log On and Off -এ ক্লিক করে Use the Welcome Screen এবং Use Fast User Switching আনচেক করুন। এরপর থেকে কম্পিউটার খুললে কোন ইউজার বা পাসওয়ার্ড ছাড়ায় নির্দিষ্ট ঐ ইউজারে লগইন হবে।

উইন্ডোজের শুরুতে নামলক চালু করা

উইন্ডোজ চালু হবার সময় সয়ংক্রিয়ভাবে নামলক চালু করতে পারেন রেজিস্টি সম্পাদনা করে বা ভিজুয়্যাল বেসিক স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে। প্রথমে স্টাট থেকে রান -এ ক্লিক করে regedit লিখে Ok করুন । উইন্ডোজ চালু হবার সময় নামলক চালু করতে হলে রেজিস্টি এডিটর থেকে HKEY CURRENT USER / Control Panel / Keyboard এ InitialKeyboardIndicators অথবা ওয়েলকাম স্ক্রিনের সময় নামলক চালূ করতে হলে HKEY USERS / .DEFAULT / Control Panel / Keyboard এ InitialKeyboardIndicators তে ভ্যালু ২ দিন। ০ দিলে নামলক বন্ধ অবস্থায় চালু হবে।
এছাড়াও ভিজুয়্যাল বেসিক স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে নামলক চালু করা যায়। এ জন্য নোটপ্যাডে নিচের সংকেত লিখুন
set WshShell = CreateObject(“WScript.Shell”)
WshShell.SendKeys “{NUMLOCK}”
এবং NumLock.vbs নামে সেভ করুন। এবার উক্ত সেভ করা ফাইলটি স্টাট মেনু এর প্রোগ্রামসে থাকা Startup ফোল্ডরে কপি করে রাখলে উইন্ডোজ চালূ হবার সময় উক্ত ফাইল চালু হলে নামলক চালু হবে।

নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার খোলা

আপনার কম্পিউটারে একাধিক ব্যবহারকারী থাকতে পারে যার আলাদা পাসওয়ার্ডও থাকতে পারে। তবে আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী সয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ঢুকতে পারবে। এজন্য রানে (StartRun) গিয়ে লিখুন CONTROL USERPASSWORDS2। এবার এখানে কোন ব্যবহারকারী সয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ঢুকতে পারবে তা নির্বাচন করে Users must enter a Username and password to use the computer বক্স থেকে চিক চিহ্ন তুলে দিন। Apply বাটনে ক্লিক করুন। এবার Automatically logged on ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে ঐ ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড দিন এবং OK করুন। এবার User account এ OK করুন। এবার কম্পিউটার পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করে দেখুন নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার খুলে গেছে।
আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হলে Users must enter a Username and password to use the computer বক্সে চিক চিহ্ন দিলেই হবে।

কম্পিউটার চালু ও বন্ধের সময় দেখা (Only for windows Xp)

আপনার কম্পিউটারের ব্যবহারকারী যদি একাধিক হয় তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন না কে কখন আপনার কম্পিউটার খুলছে বা বন্ধ করছে। কিন্তু আপনার জানা জরুরী কখন আপনার কম্পিউটার খুলেছে বা বন্ধ হয়েছে। এ সব তথ্য আপনার কম্পিউটার ঠিকই হিসাব করে রাখছে। SchedLgU.Txt নামের একটি টেক্টট ফাইলে এসব তথ্য আছে। সিস্টেম রুটে অর্থাৎ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে সে ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে ফাইলটি আছে সেখান থেকে বা স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে SchedLgU.Txt লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে। এবার ডকুমেন্টের ভিতরে [ ***** Most recent entry is above this line ***** ] লেখা লাইনের উপরে সর্বশেষ কখন কম্পিউটার খুলেছেন সেই সময় দেওয়া আছে। তার উপরে সর্বশেষ বন্ধ হবার সময় আছে। এই ভাবে ধারাবাহিকভাবে তথ্যগুলো আছে। ৩২ কিলোবাইটের এই ফাইলটিতে সর্বশেষ ১৩৫ বার কম্পিউটার খোলা ও বন্ধ করার তথ্য (সময় ও তারিখ) সংরক্ষিত থাকে। কম্পিউটার ১৩৫ বারের বেশী খোলা ও বন্ধ করলে উক্ত লাইন আবার প্রথম থেকে আসতে থাকবে অর্থাৎ পূর্বের তথ্যের উপর নতুন তথ্য প্রতিস্থাপন হবে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আপনি বা অন্যকেউ ইচ্ছা করে ফাইলটি মুছতে, প্রতিস্থাপন করতে বা এর কোন তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না।

কীবোর্ডের সাহায্যে মনিটর বন্ধ করা

পাওয়ার অপশনের ডিফল্ট সেটিংসে শক্তি সঞ্চয়ের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরে মনিটর বন্ধ হবার ব্যবস্থা আছে। অনেকেই এই অপশনটি বন্ধ করে রাখে। কিন্তু প্রয়োজনে যদি কীবোর্ডের শর্টকাট ব্যবহার করে মনিটর বন্ধ করা যেত তাহলে কেমন হতো! Monitor Off Utility v1.0 সফটওয়্যার দ্বারা এই সুবিধা পাওয়ার যাবে। মাত্র ৩৬৬ কিলোবাইটের ফিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পরে বহনযোগ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। তবে ইনস্টল করতে Microsoft .net framework 2.0 বা পরের সংস্করণ প্রয়োজন হবে। সফটওয়্যাটি উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/৭ এ চলবে। সফটওয়্যারটি www.dekisoft.com/mou.php থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

সহজেই গুগল ম্যাপ ডাউনলোড করা

গুগলের সেবাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল ম্যাপ। সহজেই কোন স্থানের ম্যাপ খুঁজে পেতে এর বিকল্প নেই বললেই হলে। সাধারণত http://maps.google.com থেকে ম্যাপ পাওয়া যায় কিন্তু এই সাইটের ডাউনলোড করার সুযোগ নেই, ফলে ম্যাপ সেভ করার প্রয়োজন হলে স্ক্রিনশট নিতে হয়। নির্দিষ্ট স্থানের ম্যাপ যদি সহজেই ডাউনলোড করা যেত তাহলে ভালই হতো। গুগল ম্যাপ ডাউনলোড করার দারুন একটি সফটওয়্যার হচ্ছে গুগল ম্যাপ সেভার। ফ্রিওয়্যার, বহনযোগ্য এই সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই বিভিন্ন রেজুলেশনে (৩২০x২৪০ পিক্সেল থেকে ৪০৯৬x৪০৯৬ পিক্সেল পর্যন্ত) png, jpeg, bmp এবং targa ফরম্যাটে ছবি সেভ করা যাবে। মাত্র ৩৬৬ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সকল সংস্করণেই চলবে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে www.codres.de/google-map-saver সাইটে।

উইন সিক্রেট 2010 : দারুন টোয়ীক সফটওয়্যার

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী বিভিন্ন টোয়ীক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। এর মধ্যে টোয়ীক নাউ এর উইন সিক্রেট 2010 অন্যতম। অনান্য টোয়ীক সফটওয়্যার থেকে এর পার্থক্য হচ্ছে এতে কিছু অনন্য টোয়ীক রয়েছে। যেগুলো এ্যাপলিকেশন, কন্ট্রোল প্যানেল, ডেক্সপট, বিবিধ, নেটওয়ার্ক এন্ড ইন্টারনেট, ওইএম ইনফো, স্পেসাল ফোল্ডারস, র্স্টাট মেনু, ইউজার একাউন্টস, উইন্ডোজ কেয়ার, উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এই একই সফটওয়্যার নির্মাতার আরেকটি টোয়ীক সফটওয়্যার হচ্ছে ‘টোয়ীক নাউ পাওয়ার প্যাক 2010’। 6.5 মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই ‘টোয়ীক নাউ উইন সিক্রেট ২০০৯’ সফটওয়্যারটি www.tweaknow.com থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

উইন্ডোজে ড্রাইভ বা ফোল্ডারের নিরাপত্তা

Folder OR Drive Security

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের কম্পিউটারে যদি একাধিক ব্যবহারকারী থাকে তাহলে ফাইল বা ফোল্ডার বা ড্রাইভের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতেই হয়। কোন সফটওয়্যার ইনস্টল ছাড়াই ব্যবহারকারী নিজস্ব ফোল্ডার বা ড্রাইভকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তবে যে ড্রাইভ বা ড্রাইভের ফোল্ডার নিয়ন্ত্রণ করতে চান সেটি অবশ্যয় NTFS ফরম্যাটের হতে হবে।
এজন্য যে ফোল্ডার বা ড্রাইভের উপরে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চান সেই ফোল্ডার বা ড্রাইভের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ যান এবং Security ট্যাবে যান। (সিকিউরিটি ট্যাব না থাকলে Control Panel থেকে Folder Options চালু করুন। এখানে View ট্যাবে গিয়ে Advanced Settings এর Use simple file sharing (Recommended) আনচেক করে OK করুন।) এবার Advanced বাটনে ক্লিক করলে Advanced Security Settings for FOLDER NAME আসবে। এখানে Permission ট্যাব এর Permission entries এ যে গ্রুপ বা ব্যবহারকারীকে আপনি ফোল্ডার বা ড্রাইভটির দেখা বা মুছে ফেলা বা অনান্য সুবিধা দিতে চান না সেটি নির্বাচন করে Edit বাটনে ক্লিক করুন। (Permission entries এ যদি কোন ব্যবহারকারীর নাম না থাকে তাহলে Add বাটনে ক্লিক করে Advanced বাটনে এবং Find Now বাটনে ক্লিক করে ব্যবহারকারী নির্বাচন করে OK এবং OK করুন।) এখন যে যে বিষয়ের উপরে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চান সেগুলো Deny এ চেক করুন এবং OK, OK, OK সংরক্ষণ করুন।
তাহলে উক্ত ব্যবহারকারী বা গ্রুপের ব্যবহারকারীরা নিয়ন্ত্রণ আরোপ বিষয়গুলোর সুবিধা পাবে না। আপনি যদি Full Control চেক করেন তাহলে ড্রাইভ/ফোল্ডারটি পড়তেই পারবে না।

হিরেন বুট সিডি: উইন্ডোজের পাসওয়ার্ড উদ্ধার

উইন্ডোজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে হিরেন বুট সিডির জুড়ি নেই। হিরেন বুট সিডির প্রায় ২০০টির মত টুলসের মধ্যে পাসওয়ার্ড রিকভার অন্যতম। হিরেন বুট সিডির এই টুলস দ্বারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের যে কোন ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলা করা যায়।
এজন্য প্রথমে হিরেন বুট সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে চালু করুন। তাহলে হিরেন বুট মেনু আসবে। ধাপ ১: Start Hiren’s BootCD নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে হিরেন বুট সিডি চালু হবে।
ধাপ ২: Password & Recovery Tools… নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৩: Active Password Change XP+ নির্বাচন করে এন্টার করুন এবং কোন ওয়ার্নিং ম্যাসেজ আসলে YES করুন।
ধাপ ৪: MS SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে বেড় করতে ২ চাপুন (অথবা Logical Drive জানা থাকলে ১ চেপে নির্বাচন করেও খোঁজা যায়), তাহলে SAM (পাসওয়ার্ড ডেটাবেস) ফাইল খুঁজে পাওয়া যাবে। কম্পিউটারে একাধিক উইন্ডোজ ইনস্টল দেওয়া থাকলে একাধিক ড্রাইভের SAM ফাইল লোকেশন আসবে। এবার নির্বাচন করে এন্টার করুন তাহলে উক্ত উইন্ডোজের সকল ইউজার দেখা যাবে।
ধাপ ৫: যে ইউজারের পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে চান সেটি (নম্বর) নির্বাচন করে এন্টার করুন।
ধাপ ৬: নিচের Clear this User’s Password নির্বাচন করে কীবোর্ড থেকে Y চাপুন। তাহলে পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এবং নিচে নিশ্চিতকরন ম্যাসেজ আসবে।
ধাপ ৭: Esc চেপে বেড় হয়ে আসুন এবং Restart লিখে এন্টার করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
এবার উইন্ডোজে লগইন করার সময় উক্ত ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়ায় লগইন হবে।
Download Link : Hirens.BootCD.10.6

কপি পেস্টের সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে টেরা কপি

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে শতাধিক ফাইল বিশিষ্ট কোন ফোল্ডার কপি দেওয়া হয় এবং সেক্ষেত্রে অর্ধেক কপি হবার পরে কোন ফাইল পড়তে না পারলে কপি বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক গিগাবাইট কপি দেবার পরে অর্ধেকমত কপি হবার পরে যদি প্রয়োজনে কপি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করার প্রয়োজন পরে তাহলে তা সম্ভব হয় না। অথবা হাজারো ফাইল কপি দেবার পরে কিছু ফাইল কপি করা থেকে বাদ দেওয়ারও ব্যবস্থা নেই। কিন্তু এসব সুবিধা যদি উইন্ডোজের কপি করার সময় পাওয়া যেত তাহলে কেমন হতো! এইসব সুবিধার পাশাপাশি কপির গতি, কোন ফাইল কপি হচ্ছে বা পরবর্তিতে কোন ফাইল কপি হবে ইত্যাদি বিভিন্ন সুবিধা দেবে টেরা কপি। টেরা কপি সফটওয়্যারটি www.filehippo.com/download_teracopy বা www.codesector.com/teracopy.php থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করলেই হবে। এরপর থেকে কপি পেস্টের কাজ উইন্ডোজের ডিফল্ট কপিপেস্ট না করে টেরাকপি করবে।

আর্কাইভের ছবি থাম্বনেইলে দেখা

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে থাম্বনেইল প্রিভিউ হিসাবে দেখলে ফাইল থাম্বনেইল হিসাবে দেখানোর পাশাপাশি ফোল্ডার ও থাম্বনেইল হিসাবে দেখায়। ফলে ফোল্ডারের ভিতরের ছবিগুলো দেখা যায়। কিন্তু ছবি আছে এমন আর্কাইভ (জিপ, রার) যদি থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যায় তাহলে উক্ত আর্কাইভ ফাইলের মধ্যে থাকা ছবিগুলো থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যায় না, শুধু আর্কাইভের আইকন দেখা যায়।
তবে একটি শেল ইনস্টল করলে আর্কাইভ (জিপ, রার) ফাইলগুলোর মধ্যে থাকা ছবিগুলো থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যাবে। এজন্য http://free-sk.t-com.hr/T800/software/cbxShell.htm থেকে মাত্র ৮৪৪ কিলোবাইটের শেল ডাউনলোড করে আনজিপ করে ইনস্টল করুন। এবার ছবি আছে এমন আর্কাইভ ফাইল থাম্বনেইল হিসাবে দেখুন তাহলে উক্ত আর্কাইভের ভিতরে থাকা ছবি দেখা যাবে।

নির্দিষ্ট কাজের উপরে ভিত্তি করে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা

নির্দিষ্ট সময় পরে বা প্রসেসরের ব্যবহারের উপরে অথবা নেটওয়ার্কের কাজের উপরে ভিত্তি করে কম্পিউটার রিস্টার্ট, শার্টডাউন, লগঅফ, লক করা, ফাইল চালানো বা অডিও ফাইল (mp3, ogg, wma, wav) চালানো যাবে। এমনই একটি অটোমেশন ইউটিলিটি হচ্ছে টাইমকমক্স। ৪ মেগাবাইটের মত ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.bitdreamers.com/en/products/timecomx থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং Task ট্যাবে গিয়ে টাক্স নির্বাচন করুন। এবার Event ট্যাবে গিয়ে Mode থেকে পছন্দের ইভেন্ট নির্বাচন করে নিচের মান সেট করুন এবং Start বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত নির্দিষ্ট ইভেন্টে কার্য (টাক্স) সম্পাদনা হবে। সফটওয়্যারটিতে পাসওয়ার্ড সেট করা যায়।

ডেক্সটপ থেকে জানা যাবে ফেসবুকের আপডেট

জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কোন স্ট্যাটাস পোস্ট করতে, রিকোয়েস্ট বা ম্যাসেজ এসেছ কি না দেখতে ফেসবুকে লগইন করতে হয়। ওয়েব সাইটে না গিয়েও ফেসবুক নোটিফিকেশনস এ্যাপলিকেশন দ্বারা আপটেড জানা যাবে এবং পোস্ট করা যাবে। ৯০১ কিলোবাইটের এই ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/apjunktion-notifications থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে মাইক্রোসফট ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ইনস্টল থাকতে হবে। এখন সফটওয়্যাটি ইনস্টল করে লগইন করুন তাহলে একটি স্ট্যাটাসবারে ফেসবুকের বর্তমান স্ট্যাটাস দেখাবে। এখানে থেকে ফেসবুকে পোস্টও করা যাবে।

যেকোন সাইটের জন্য ফেসবুকের লাইক বাটন

জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কি সাইট ফেসবুক সমপ্রতি লাইক বাটন অবমুক্ত করেছে। এই বাটনে সাহায্যে যেকোন ওয়েবসাইটকে লাইক করা যাবে। ফেসবুকের প্লাগইনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে থেকে এবং সরাসরি গুগল ক্রোমে থেকে লাইক করা যাবে।
গুগল ক্রোমে লাইক বাটন: ক্রোমের এক্সটেনশনটি https://chrome.google.com/extensions/detail/ocfhgijcimpoffgcapmbnheggfgfiime থেকে ইনস্টল করুন তাহলে গুগল ক্রোমের এড্রেসাবরের ডানে Facebook Likes বাটন আসবে। এখন এখানে লাইক বাটনে ক্লিক করলে বর্তমান সাইটটি লাইক হিসাবে গৃহীত হবে এবং ফেসবুকের ওয়ালে তা প্রদর্শন করবে। ফেসবুকে যদি লগইন করা না থাকে তাহলে লাইক বাটনে ক্লিক করার পরে লগইন করার উইন্ডো থেকে লগইন করতে হবে।
কোন নির্দিষ্ট সাইটে ফেসবুক লাইক বাটন ব্যবহার করতে চাইলে http://developers.facebook.com/docs/reference/plugins/like সাইটে গিয়ে সাইটের নাম লিখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে Get Code বাটনে ক্লিক করলে iframe এবং XFBML দুই ধরনের প্রোগ্রামিং কোড আসবে। আর ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য নিচের কোড ব্যবহার করতে পারেন।
<iframe src=”http://www.facebook.com/plugins/like.php?href=<?php echo urlencode(get_permalink()); ?>&amp;layout=standard&amp;show-faces=true&amp;width=530&amp;height=60&amp;action=like&amp;colorscheme=light” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowTransparency=”true” style=”border:none; overflow:hidden; width:530px; height:60px”></iframe>

টুইটার থেকে ফেসবুকের প্রোফাইলে বা পেজে স্ট্যাটাস আপডেট করা

জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং টুইটারের স্ট্যাটাস বিভিন্নভাবে ফেসবুকের প্রোফাইলে আপডেট করা যায়। কিন্তু ফেসুবুকের পেজে আপডেট করার মত পদ্ধতি কমই আছে। টুয়িটপোস্ট সাইট থেকে একাধিক টুইটারের স্ট্যাটাস একাধিক ফেসুবকের প্রোফাইল বা পেজে আপডেট করা যায়।
এজন্য www.tweetpo.st সাইটে গিয়ে Sign up or login অংশে f Connect বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের Connect with Facebook এ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ও লগইন করুন। এবার Add Twitter ট্যাবে Sign in with Twitter বাটনে ক্লিক করে টুইটার একাউন্টের সাথে দিয়ে অথোরাইজেশন করুন। এবার পরবর্তী Add Facebook ট্যাবে Add Profile or Page বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের সাথে অথোরাইজেশন করে প্রোফাইল বা পেজ নির্বাচন করে Next করুন। এখন ইচ্ছামত লেবেল লিখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে Done! বাটনে ক্লিক করে সমাপ্ত করুন এবং See all your connections বাটনে ক্লিক করে সেটিং পাতায় ফিরে আসুন। এভাবে আরো সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে + New connection বাটনে ক্লিক করে আরো সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।

গুগল ক্রোমে পাওয়া যাবে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সুবিধা

জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের ওয়েব ব্রাউজার গুগল ক্রোম ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এখনো রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এমন কিছু সুবিধা আছে যা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে আছে কিন্তু গুগল ক্রোমে নেই। এই সুবিধাগুলো গুগল ক্রোমে পাওয়া যাবে IE Tab এক্সটেনশনের মাধ্যমে। এজন্য https://chrome.google.com/extensions/detail/hehijbfgiekmjfkfjpbkbammjbdenadd থেকে আইই ট্যাব এক্সটেনশনটি ইনস্টল করে নিতে হবে, তাহলে গো বাটনের ডানে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের একটি বাটন আসবে। এবার যে সাইটটি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সুবিধা দিয়ে খুলতে চান সেই সাইটটি খুলে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বাটনে ক্লিক করলে নতুন ট্যাবে (আলাদা এড্রেসবারসহ) ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সুবিধা নিয়ে সাইটটি খুলবে।

গুগল ক্রোমে সরাসরি ক্রিকেট স্কোর দেখা

ক্রিকেট খেলার স্কোর জানতে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঢুকতে হয়। তবে গুগল ক্রোমে একটি এক্সটেনশন ইনস্টল করে সরাসরি ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখা যাবে। এজন্য https://chrome.google.com/extensions/detail/ijhlikjoigjegofbedmfmlcfkmhabldh থেকে ইএসপিএন ক্রিকইনফোর অফিসিয়াল এক্সটেনশনটি ইনস্টল করুন। তাহলে এড্রেসবারের ডানে ক্রিকইনফোর আইকন দেখা যাবে। এই আইকনে ক্লিক করলে ইএসপিএন ক্রিকইনফোর চলতি সকল ক্রিকেট খেলার স্কোর এবং সংবাদ দেখা যাবে।

বহনযোগ্য গুগল ক্রোম

জনপ্রিয় সার্চ জয়ান্ট গুগলের ওয়েব ব্রাউজার গুগল ক্রোমও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গুগল ক্রোমের ওয়েব সাইটে সাধারণত অফলাইন সংস্করণ (যে সংস্করণ ইনস্টল করতে ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকতে হয় না) পাওয়া যায় না। অন্য কিছু সফটওয়্যারের ওয়েবসাইট থেকে অবশ্য অফলাইন সংস্করণ ডাউনলোড করা যায়। তবে জনপ্রিয় বহনযোগ্য সংস্করণ তৈরীকারক ওয়েবসাইট পোর্টেবলএ্যাপস ডট কম গুগল ক্রোমের হালনাগাদ সংস্করণের বহনযোগ্য সংস্করণ অবমুক্ত করেছে। ফলে এখন থেকে http://portableapps.com/apps/internet/google_chrome_portable or http://www.filehippo.com/download_google_chrome/  থেকে গুগল ক্রোমের বহনযোগ্য সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়াও এই সাইটে আরো বিভিন্ন ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যরের বহনযোগ্য সংস্করণ পাওয়া যাবে।

ফাইল ফোল্ডার ডিলিট বা সরাতে সমস্যা হলে।

বিভিন্ন কারণে ফাইল বা ফোল্ডার ডিলিট, মুভ, রিনেম করা যায় না। এসবের মুল কারণ হচ্ছে উক্ত ফাইল বা ফোল্ডারটি কোন চলতি প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে ভাল সফটওয়্যার হচ্ছে আনলকার। ১ মেগাবাইটের মত ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.ccollomb.free.fr/unlocker/ বা www.filehippo.com/download_unlocker/ থেকে ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল থাকলে সমস্যার আক্রান্ত ফাইল বা ফোল্ডারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Unlocker এ ক্লিক করলে দেখা যাবে উক্ত ফাইল বা ফোল্ডারটি কোন কোন প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হচ্ছে। এবার Unlock All বাটনে ক্লিক করেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এছাড়াও বাম পাশের No action ড্রপ-ডাউন থেকে Delete নির্বাচন করে Unlock All বাটনে ক্লিক করলে ফাইল বা ফোল্ডারটি ডিলিট হয়ে যাবে। এভাবে Rename বা Move করা যাবে। তাছাড়াও কোন ফাইল বা ফোল্ডার ডিলিট, মুভ, রিনেম করতে গিয়ে না হলে সয়ংক্রিয়ভাবে Unlocker সফটওয়্যারটি চালু হতে পারে। সেক্ষেত্রে একই পদ্ধতিতে No action ড্রপ-ডাউন থেকে দরকারি অপশনটি নির্বাচন করে Unlock All করলেই হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১০

আরো নিরাপত্তা দিন উইন্ডোজকে

কম্পিউটারে অন্যের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। উইন্ডোজের এই ইউজার পাসওয়ার্ড সহজেই হ্যাক করা যায়। আবার সিস্টেম (বায়োস) পাসওয়ার্ড দিলেও ভাঙ্গা যায় সহজে। কিন্তু উইন্ডোজে যদি ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়াও আরেকটি পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত করা যায় তাহলে কেমন হয়! উইন্ডোজর চালু হবার পরে লগইন স্ক্রিন আসার আগেই একটি পাসওয়ার্ড সেট করা যায়। এটাকে স্টার্টাআপ পাসওয়ার্ড বলে।
স্টার্টাআপ পাসওয়ার্ড সেট করতে স্টার্ট>রানে (Windows+R চেপে) গিয়ে syskey লিখে এন্টার করুন, তাহলে Security the Windows Account Database ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে Encryption Enabled চেক রেখে Update বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Startup Key ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Password Startup চেক করে স্টার্টআপ পাসওয়ার্ড দিয়ে Ok করুন। তাহলে পাসওয়ার্ড সেট হবে এবং নিশ্চিতকরন বার্তা আসবে।
এখন থেকে কম্পিউটার চালু করলে লগইন স্ক্রিন আসার আগেই স্টার্টআপ পাসওয়ার্ড ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে পাসওয়ার্ড না দিলে লগইন স্ক্রিন আসবে না। আর বিকল্প পথে উইন্ডোজে প্রবেশ করা যাবে না।
পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে হলে Security the Windows Account Database ডায়ালগ বক্স থেকে Update বাটনে ক্লিক করে কেনা পাসওয়ার্ড না লিখে Ok করুন। এবার পূর্বের পাসওয়ার্ড লিখে Ok করলেই হবে।

গুগলের কাছ থেকে জেনে নিন যেকোন শব্দের সংজ্ঞা (Google say Definition)

গুগলের Define অপারেটরটি ব্যবহার করে আপনি কোন সাইটে প্রবেশ না করে শুধুমাত্র সার্চ রেজাল্ট থেকেই যেকোন শব্দের সংজ্ঞা জেনে নিতে পারবেন। গুগল বিভিন্ন সাইট ঘেঁটে নিজেই আপনার জন্য আপনার প্রদত্ত শব্দটির বিভিন্ন সংজ্ঞা এনে হাজির করবে। যেমন ধরুন আপনি যদি জানতে চান mouse শব্দটির সংজ্ঞা কি, তাহলে গুগল সার্চে গিয়ে define:mouse লিখে সার্চ দিলেই দেখবেন মাউজের বিভিন্ন সংজ্ঞা এসে হাজির হয়ে গেছে। এখানে আমি define:mouse থেকে প্রাপ্ত সংজ্ঞাগুলো থেকে দুটি সংজ্ঞা উল্লেখ করলাম -

1. A hand-operated electronic device that controls the coordinates of a cursor on your computer screen as you move it around on a pad …

2. A mouse (plural mice) is a small animal that belongs to one of numerous species of rodents …
দেখতেই পাচ্ছেন গুগল একজন সংজ্ঞা বিশারদও বটে।

জিমেইলে ব্যাকআপ রাখুন

ইমেইলের অনলাইন ভান্ডারে বিভিন্ন তথ্য রাখা বেশ নিরাপদ। কিন্তু লগইন করে ফাইলগুলো সংযুক্ত (এ্যাটাচ) করা বেশ ঝামেলার। কিন্তু জিমেইল লগইন না করেই কোন ফাইল বা ফোল্ডারে এক ক্লিকেই যদি জিমেইলে পছন্দের ফাইল/ফোল্ডার যুক্ত করে রাখা যেত তাহলে কেমন হতো! জিমেইলর জিড্রাইভ ভালভাবে কাজ না করাতে সাধারণত অনেকই জিমেইলে দরকারী ফাইলগুলো সংযুক্ত করে রাখেন। তবে এজন্য জিমেইলে লগইন করতে হয় এবং ফাইলগুলোকে সংযুক্ত করে নিজের অন্য মেইলে বা উক্ত মেইলেই মেইল করতে হয়। এসবের সমাধান দেবে ব্যাকআপ টু ইমেইল সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে জিমেইলের ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখলে যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের উপরে মাইসের ডান বাটনে ক্লিক করে Backup To EMail এ ক্লিক করেলেই আপলোড হতে শুরু করবে। ফোল্ডারের ক্ষেত্রে ফোল্ডারটি জিপ (zip) হিসাবে সংযুক্ত হবে। আপলোড হবার পরে তা প্রদেয় মেইলের ইনবক্সে চলে আসবে। ইচ্ছে করলে Backup To EMail মেইলগুলোকে ফিল্টার করে ইনবক্স এড়িয়ে নির্দিষ্ট লেবেলে নিয়ে আসা যাবে। আর পরবর্তিতে অন্য কাউকোতো ফরওয়ার্ড করা যাবেই। মাত্র ১.৭৬ মেগাবাইটের ফ্রি সংস্করণটি www.backup2e.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে। তবে সফটওয়্যারটি চালাতে জাভা ইনস্টল থাকতে হবে।

পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো রাখুন গুগল বুকমার্কে

আমার সাধারণত পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজারের বুকমার্কে (ফেভারিটে) রাখি। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় এবং বেশী ব্যবহার করা হয় এমন এবং বড় ওয়েব লিংক। কিন্তু নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল করলে বুকমার্কের তথ্য হারিয়ে যায় বা ভিন্ন ভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করলে সুবিধা পাওয়া যায় না। এছাড়াও ক্যাফে, বন্ধুর বাসার বা অন্য কারো কম্পিউটার ব্যবহার আপনার নিজের কম্পিউটারের বুকর্মাকের সুবিধা পাবেন না। আর আপনার কম্পিউটার অন্য কেউ ব্যবহার করলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ বুকমার্কগুলো তার কাছে আর গোপন থাকবে না। এসব সমস্যার সমাধানে আপনি অনলাইনে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট বা ওয়েব লিংকগুলো। বিভিন্ন অনলাইন বুকমার্কের ওয়েবসাইট আছে তবে গুগল বুকর্মাক বেশ সুবিধাজনক। অন্তত যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের জন্য নতুন করে লগইন করার প্রয়োজন হয় না। আপনার ব্রাউজারে যদি গুগল টুলবার ইনষ্টল করা থাকে তাহলে গুগলে লগইন করে বুকমার্ক বাটন থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এছাড়াও বুকমার্কের ওয়েবসাইট www.google.com/bookmarks থেকেও বুকমার্ক যোগ করা, মুছে ফেলা বা সম্পাদনা করতে পারবেন। এজন্য অবশ্য আপনার গুগল একাউন্ট থাকতে হবে এবং একাউন্টে লগইন করে আপনি এই সুবিধা পাবেন।

ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল ব্যবহার

ইমেইল ক্লাইন্টের নাম আমরা সবাই শুনেছি অনেকেই আউটলুক, ইউডোরা, থান্ডারবার্ডের মত ইমেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করে থাকেন। মেইল ক্লাইন্টের মাধ্যমে পপ সুবিধা থাকা মেইলগুলো ওয়েব মেইল থেকে ডাউনলোড হয়ে মেইল ক্লাইন্টে চলে আসে ফলে ইন্টারনেট ছাড়াই ইমেইল পড়া এবং লিখে সেভ করে রাখা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেইল ক্লাইন্টে ওয়েবমেইলগুলো ডাউনলোড হয় ফলে ওয়েবমেইলে তা আর থাকে না, অন্য কোথাও থেকে আর পড়াও যায় না। যদিও জিমেইল পপ সুবিধা সাথে অনলাইনে মেইলের কপি রাখার ব্যবস্থা আছে। ফলে জিমেইল ব্যবহাকারীরা পপ সক্রিয় করে অন্য মেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করলে যে সুবিধা পেয়ে থাকে তাই পাওয়া যাবে জিমেইল অফলাইন দ্বারা। মূলত এটা জিমেইলকে অনলাইনের সাথে অফলাইনের যোগসূত্র তৈরী করে দিয়েছে। অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে গুগল গিয়ার ইনস্টল করতে হবে। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার জিমেইল খুলে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে যান এবং Offline এর Enable অপশন বাটন নির্বাচন করে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। সেভ হবার পরে জিমেইল পুনরাই সক্রিয়ভাবে লোড হবার পরে উপরের ডানে Offline0.2 এ ক্লিক করুন তাহলে Install offline access for Gmail ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন।) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি মূলত ইউজারের Local Settings\Application Data এর মধ্যে সেভ হয়। সবশেষে Go into Flaky Connection Mode এ ক্লিক করুন। এরপরে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও তৈরী হওয়া শটকাটে ক্লিক করে অথবা https://mail.google.com/mail সাইটে গিয়ে মেইল পড়তে, লিখে সেভ করতে পারবেন। একই কম্পিউটারে, একই ব্রাউজারে, এভাবে একাধিক ইউজারের তথ্যও অফলাইন করে রাখা যাবে। এমনকি একই একাউন্ট একাধিক কম্পিউটারে অফলাইন করে রাখা যাবে। আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সে ব্যবহার করলেতো কথাই নেই, ইচ্ছেমত বহন করা যাবে (সিডিতে রাইট করেও রাখা যাবে) আর অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন বা নতুন করে ইনস্টল করলেও সমস্যা নেই। জিমইেল অফলাইন আপতত উইন্ডোজ (এক্সপি+), ম্যাক এবং লিনাক্সে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার৬+, ফায়ারফক্স ১.৫+, সাফারিতে সর্মথন করবে। এছাড়াও সকল ধরনের তথ্যই জিমেইলের অফিসিয়াল ব্লগ http://gmailblog.blogspot.com থেকে পাওয়া যাবে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ

আপনার বন্ধু থাকে প্রবাসে আর আপনি বাংলাদেশে। আপনার বন্ধু কম্পিউটারে খুব বেশী দক্ষ না। আপনি আপনার বন্ধুকে কিছু শেখাতে চান বা তার কম্পিউটারের কিছু কাজ করে দিতে চান। কিন্তু দুজন হাজার কিলোমিটার দুরে থেকে কিভাবে এটা সম্ভব। টিমভিউয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে আপনি তাকে যেমন কিছু শেখাতে পারবেন তেমনই তার বিভিন্ন কাজও করে দিতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই উভই কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ এবং টিমভিউয়ার সফটওয়্যার ইনষ্টল থাকতে হবে
এজন্য উভয়ই www.teamviewer.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার উভয়ই সফটওয়্যারটি চালু করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে Your Details অংশে ID এবং Password আসবে। যেহেতু আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করবেন তাই আপনার বন্ধুর কাছ থেকে এসএমএস, ফোন, মোবাইল, ম্যাসেজ (চ্যাট) বা ইমেইলের মাধ্যমে তার টিমভিউয়ারের ID এবং Password জেনে নিন। এখন আপনার টিমভিউয়ারের (Remote Support নির্বাচন রেখে) Partner Details এর ID অংশে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডি লিখে Connect Partner বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের টিমভিউয়ার পরীক্ষা করবে। এবপরে পাসওয়ার্ড চাইলে আপনার বন্ধুর দেওয়া পাসওয়ার্ড লিখে Log On বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডির টাইটেলে একটা উইন্ডো আসবে, যা আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ডেক্সটপ। এখন আপনি উক্ত ডেস্কটপের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ (ফাইল/ফোল্ডার তৈরী, ডিলিট করা, টাইপ করা, সফটওয়্যার ইনষ্টল করা, ডাউনলোড করা, গান দেখা ইত্যাদি) করতে পারবেন। মোট কথা ইন্টারনেটর সংযোগ অক্ষুন্ন রেখে কম্পিউটার লগঅফ/সার্টডাউন ছাড়া বাকি সবই করতে পারবেণ। এছাড়াও Filetransfer থেকে সংযোগ নিলে আপনার নিজের কম্পিউটারের ফাইল আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল/ফোল্ডার আদান প্রদান করতে পারবেন

ফায়ার ফক্সের স্পীড বাড়ান

ফায়ার ফক্স পেজ লোড করার সময় কিছু বাড়তি কাজ করে যা কারো কারো কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে।
নিচের সেটিং গুলো পরিবর্তন করলে স্পীড উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে যায়।
ফায়ারফক্স ওপেন করে অ্যাড্রেসবারে লিখুন about:config
. ফিল্টার বক্সে লিখুন network.http.pipelining. এর ভ্যালু দিন True.একই ভাবে,. network.http.proxy.pipelining এর ভ্যালু দিন True.. network.http.pipelining.maxrequests এর ভ্যালু দিন 8 . (আমার জানা মতে এটিই সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মান). nglayout.initialpaint.delay এর ভ্যালু দিন 0.

(nglayout.initialpaint.delay
না থাকলে যেকোনো স্থানে রাইট ক্লিক করে New>Integer যান। লিখুন nglayout.initialpaint.delay এরপর ভ্যালু হিসেবে 0 দিন।)
এখন আপনার ফায়ারফক্স অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নস্ট করবে না। আমার মত যাদের নেট স্পীড কম তারা পরিবর্তনটা ভালো করে টের পাবেন।